মো. আব্দুল মান্নান :
‘বড় পত্রিকায় যারা কাজ করেন তাদের নিকট আমাদের শিখার আছে অনেক কিছু। তারা অনেক ওয়েটফুল হয়ে থাকেন। তাদের চালচলন, কথাবার্তা, শালীনতা, আমল আখলাক সবকিছুই মার্জিত হয়ে থাকে। তারা কথা কাজে মিল রেখে চলেন। পাতলামি করেন না। কারো কাছে কিছু একটা শুনেই প্রচার করেন না বরং যাচাই বাছাই করেন। সত্যটাই প্রচার করে থাকেন। তারা সকালে এক রকম আর বিকালে আরেক রকম কথা বলেন না। তারা অত্যন্ত নম্র ভদ্র, জ্ঞানী গুণী ও বিনয়ী হয়ে থাকেন। হঠাৎ করে কারো উপর চটে যান না। মাথা ঠান্ডা রেখে কথা বলেন। হিংসাত্মক আচরণ করেন না। জনসম্মুখে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন কোন ইস্যু নিয়ে অপমানজনক পোস্ট দিয়ে কাউকে হেয় করেন না। পোস্ট দিয়ে পরে ডিলিট করে দিতে হয় এমন কোন পোস্টও তারা দেন না। যে পোস্টই দেন, ভেবে চিন্তেই দেন। যাতে পরে ডিলিট করতে না হয়। তাদের নিকট আমাদের শিখার আছে অনেক কিছু।’
আমার এ লেখাটিতে অনেকেই লাইক দিয়েছেন ও কমেন্ট করেছেন। বিশেষ করে সিনিয়র সাংবাদিক কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি নিয়ামুল কবির সজল ভাই, জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য ড. গালিব হাসান, ফুলপুর প্রেসক্লাবের দীর্ঘদিনের সাবেক সভাপতি বর্তমান সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর মুকুল ভাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক লন্ডন প্রবাসী মাহমুদ বিন সাঈদ, এনামুল ভাই, খায়রুল আলম রফিক ভাই, মতিউর রহমান ভাই, হাজী আব্দুস সাত্তার, তারাকান্দার নুরুজ্জামান বকুল, নাজমুল হক, সিলেট বিশ্বনাথের সাইফুল ইসলাম বেগ ভাই, নালিতাবাড়ির সাইফুল ভাই, সুরুজ্জামান সুরুজ ভাই, নকলার মোশাররফ ভাই, ফুলপুরের ফজলুল করিম মুকুল ভাই, প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম, মালয়েশিয়া প্রবাসী মুকিম আহমাদ, হালুয়াঘাটের আব্দুর রাজ্জাক ভাই, সাইদুর রহমান রাজু, ধোবাউড়ার আবুল হাশেম ভাই, ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের সদস্য মাহবুব ভাই, আব্দুল ওয়ারেছ ভাই, ফাহাদ, শেরপুরের হামিদুর রহমান ভাই, নান্দাইলের বাবুল ভাই, মোখলেছুর রহমান দাদাভাই, ক্বারী সুলতান আহমদ প্রমুখ লাইক দিয়েছেন। কমেন্ট করেছেন ফুলপুরের সিনিয়র সাংবাদিক মুকুল ভাই, আতিকুর রহমান, গ্রামাউসের আনোয়ার ভাই, শিবলী নোমান, জুলহাস, জামিল খান, সোহেল রানা, মোস্তাক আহমেদ, ইকবাল, আবুল কালাম, আব্দুল্লাহ, রেজা মুসাফির, বাহার, সেলিম রানা ও সিনিয়র জুনিয়র মিলিয়ে অনেকে। সকলকে ধন্যবাদ।