• শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জাতীয় ইমাম সমিতি ফুলপুর উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ ফুলপুরে ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে পুরস্কার পেলেন ১০ মুসুল্লী ফুলপুরের মাহিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়ায় বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ফুলপুরে দাদী ও মা’সহ গুরুতর আহত শিশুকন্যা ইফামনি, সিএনজি চালক আটক ময়মনসিংহের ৭ উপজেলার জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন অগ্রগতি বিষয়ে ফুলপুরে পর্যালোচনা সভা এই সীজনেই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে– হাফেজ মাওলানা মুহিউদ্দিন আবারও বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় ফুলপুরের কৃতি সন্তান মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান সব ছাড়বো কিন্তু আল্লাহর দীনের ঝান্ডাকে ভূলুণ্ঠিত হতে দেব না— আল্লামা মামুনুল হক ফুলপুরে সাংবাদিক নাজিম উদ্দিনের পিতার জানাজা সম্পন্ন ফুলপুরে সাংবাদিক নাজিম উদ্দিনের বাবা আর নেই

বালিয়া মাদরাসা সংক্রান্ত

Reporter Name / ১১৯ Time View
Update : শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৪

রুদ্র কায়কোবাদ :

ধর্মীয় শিক্ষার সাধারণ স্তরের বিষয় নিয়ে যেসকল প্রতিষ্ঠানে পাঠদান হয় সেগুলোকে মাদরাসা বলে আর বিভিন্ন বিষয়ে অনুষদ নিয়ে বিস্তর ভাবে কোন একটি বিষয়ের উপর উচ্চতর গবেষণা যেসকল মাদরাসায় করার ব্যবস্থা থাকে সে সকল মাদরাসাকে আরবি ভাষায় বলে জমিয়া। বাংলাদেশ সরাকারের কাছে ইসলামী (ধর্মীয়) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঠিক তথ্য থাকলেও সেগুলোর মধ্যে জামিয়ার সংখ্যা কতো তার কোন সঠিক তথ্য নেই। কিন্তু সুনাম সু-খ্যাতির সাথে বাংলাদশে ছয়’শরও বেশি জামিয়ায় আলাদা আলাদা বিষয়ে পাঠ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি জামিয়া আরাবিয়া আশরাফুল উলুম বালিয়া। এই মাদরাসাটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। বহুকাল ধরে প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার মান, তালিম ও তরবিয়তের স্তরও ছিলো মানুষের কাছে সমাদৃত। কিন্তু ২০১০ সালের পর মাদরাসাটির শিক্ষা অবকাঠামো অজানা কোন এক কারণে ভেঙে পড়ে। তারপর দুইবার পালাবদলে বালিয়ার পীর সাহেব খ্যাত মাও: গিয়াছ উদ্দিন ও মাও: আইনুদ্দিন মুহতামিম হয়ে, পীর সাহেবের সময়ে শিক্ষার মান স্বভাব থাকলেও অন্য মুহতামিমের বেলায় শিক্ষার মান ছিলো বেজায় ঢিলে। পরবর্তীতে ২০২১ সালে মাও: ওয়াইজ উদ্দিন মুহতামিম নিযুক্ত হওয়ার প্রধান দুটি ইশতেহার ছিলো, মাদরাসার অবকাঠামো ও শিক্ষার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা। সেই ইশতেহার বাস্তবায়নে শিক্ষক-কর্মচারীদের মাদরাসার দায়িত্ব-কর্তব্যে নিয়মিত করার জন্য বর্তমান মুহতামিম এজেন্ডা নিলে মাদরাসার কিছুসংখ্যক সুবিধাবাদী, অনিয়মিত শিক্ষক তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে তাঁকে অপসারণের দাবি জানায়। পরে প্রতিষ্ঠানটির মজলিসে শুরা (গভর্নিংবডি) সে সকল দাবির সত্যতা না পেয়ে মাও: ওয়াইজ উদ্দিনকে দ্বিতীয় মেয়াদে পূনরায় মুহতামিম হিসেবে নিযুক্ত করে। কিন্তু অনিয়মিত শিক্ষকদের একাংশ এখনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও জনসাধারণের কাছে মাদরাসার অবস্থা-অবস্থান ঘোলাটে করার জন্য পায়তারা করছে। জানা গেছে, বর্তমান মুহতামিমকে অপসারণের জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের সম্মতি নিয়ে দস্তখত খাতায় যে সিগনেচার নেওয়া হয়েছিলো তা অনেককে ভুল বুঝিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের অনেকেই বর্তমান মুহতামিমের স্বপক্ষে সিগনেচার করেছে।

* অনলাইন থেকে সংগৃহীত।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা