• বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক মোস্তাফিজুর রহমানের বাবা আর নেই ‘আয়ুব আলী খোকন একজন আদর্শ শিক্ষক ছিলেন, যতগুলো গুণ থাকা দরকার তার মধ্যে সবই ছিল’ ময়মনসিংহ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ শহীদ সারোয়ারের নির্বাচনি পথসভা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দাঁড়ি ধরে হেনস্তার অভিযোগ : প্রশাসনিক তদন্ত দাবি মিছিলের শহরে পরিণত হয়েছিল ফুলপুর পয়ারী গোকুল চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়ুব আলী খোকন স্যার আর নেই বীর মুক্তিযোদ্ধা মুখলেছুর রহমান ছিলেন একজন সৎ দানবীর ও ভালো মনের মানুষ ফুলপুরে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ পৃথক অভিযানে আটক ২ ১১ দলীয় ঐক্য জোটের অন্যতম নেতা মামুনুল হকের তারাকান্দা ও ধোবাউড়া সফর সাংবাদিক ইমনের বাবার জানাজা সম্পন্ন : দোয়ার দরখাস্ত

দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের কক্সবাজারের স্টাফ রিপোর্টার মুন্নার খোঁজ মিলেছে

Reporter Name / ১১৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৪

সাইদুর রহমান রিমন

আলহামদুলিল্লাহ!!! দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কক্সবাজারের স্টাফ রিপোর্টার মনসুর আলম মুন্নার খোঁজ মিলেছে। মুন্নার স্ত্রী কুলসুম জানান, বুধবার দিবাগত রাত অনুমান ২ টায় কক্সবাজার সদর থানায় তাকে একটি চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে হস্তান্তর করেছে র‍্যাব -১৫। মুন্না অপহরণ মামলার ১ নং আসামিকে এ চাঁদাবাজি মামলার বাদী বানানো হয়েছে।

অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, গত ৪ দিন আগে সাংবাদিক মনসুর আলম মুন্না কক্সবাজার সদর থানায়
তাকে অপহরণ, জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করার অভিযোগ এনে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলার আবেদন করেন।

ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে চার দিন পর মামলা আমলে নিয়েছে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ওসি রকিবুজ্জামান। মামলাটি রেকর্ডে সময়ক্ষেপণ ঘটিয়ে আসামি কর্তৃক পাল্টা মামলা দায়েরের সুযোগ করে দেয়া হয় এবং সাংবাদিক মুন্নার মামলার এক নাম্বার আসামিকে বাদী বানিয়ে চাঁদাবাজি মামলায় মুন্নাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

সাংবাদিক মনসুর আলম মুন্নার স্ত্রী কুলসুম জানান, থানায় মামলা রেকর্ড করার আগেই র‍্যাব -১৫ -এর সদস্যরা সাদা পোশাকে শহরের লালদীঘি পাড় থেকে মুন্নাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে রাত ২ টায় তাকে থানায় হস্তান্তর করেন। তিনি আরও বলেন, ‘সদর থানা পুলিশ আমাকে জানিয়েছেন র‍্যাব – ১৫ -এর সদস্যরা তাকে আটক করে রাতে হস্তান্তর করেন।’

গতকাল মুন্না নিখোঁজের পর থেকে প্রতিদিন কাগজের সম্পাদক খায়রুল আলম রফিক সর্বত্র খোঁজ খবর নেন এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে বিষয়টি অবহিত করেন। নানামুখী বাদ প্রতিবাদের একপর্যায়ে সাংবাদিক মুন্নাকে সদর থানায় হস্তান্তরের ঘটনা ঘটে।

 

* লেখক :

সিনিয়র সাংবাদিক ও সাংবাদিক নেতা।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা