মো. আব্দুল মান্নান
ময়মনসিংহের ফুলপুরে লাউ চাষে সফল হয়েছেন কৃষক আনিজ্জলের সহধর্মিণী কৃষাণী শাহিদা।
জানা গেছে, বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ভাইটকান্দি ইউনিয়নের মাড়াদেওড়া গ্রামের কৃষক আনিজ্জলের স্ত্রী শাহিদা খাতুন একটি প্রদর্শনী পায়। এরপর কৃষি অফিস থেকে হাইব্রিড (সুপার গ্রীন) লম্বা জাতের লাউয়ের বীজ ও জৈব সার পান শাহিদা। যার মাধ্যমে স্বামী আনিজ্জল ৩৫ শতাংশ জমিতে লাউচাষ করেন। রোপনের দেড় মাসের মাথায় ফলন পেয়ে বিশাল খুশি তারা। প্রথম দিকে প্রতিটি লাউ স্থানীয় বাজারে ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়। বর্তমানে দাম কমলেও এ পর্যন্ত ১ লাখ টাকার ওপরে বিক্রি হয়েছে বলে জানান আনিজ্জল। বর্তমানে তাদের জমিতে যে পরিমাণ লাউ রয়েছে এবং ধরার সম্ভাবনা রয়েছে তা থেকে আরো ১৫-২০ হাজার টাকা বিক্রি হবে বলে ধারণা করছেন শাহিদা খাতুন।
লাউ চাষে এ সফলতা দেখে অন্যান্য সবজি চাষিরা লাউ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। কৃষক আনিজ্জল জানান, কৃষি অফিসের সহযোগিতায় এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হারুন রশিদের তত্ত্বাবধানে চাষ করে সফল হয়েছি। অল্প শ্রম, পুঁজি ও সীমিত জমিতে লাউ চাষ করে ভালো ফলন পাওয়া যায়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারুক আহাম্মেদ জানান, এবার লাউয়ের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের উন্নত জাতের লাউ বীজ সরবরাহের পাশাপাশি ফসল উৎপাদনে যাতে কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হয় সেজন্য নিয়মিত মনিটরিং করা হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কামরুল হাসান কামু বলেন, বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি উৎপাদনে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি।খোরপোষের কৃষি এখন বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরিত হচ্ছে।