মো. আব্দুল মান্নান
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২৪-কে সামনে রেখে এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান হাবিব। বেশ আগেই তিনি মাঠে নেমেছেন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনি ভোট প্রার্থনা করছেন।
প্রতিনিয়ত রুটিন মাফিক ওয়ার্ক করে যাচ্ছেন এই নেতা। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই তুখোড় নেতা ও বক্তা ছিলেন। তার বক্তৃতা তন্ময় হয়ে শোনে মানুষ। অত্যন্ত সাজানো গোছানো বক্তব্য রাখেন তিনি। একের পর এক তার কথা ভাঁজ হয়ে আসে। কথা এত সুন্দরভাবে তুলে ধরেন যে, তার বক্তব্য শেষ না করে যাওয়ার যেন উপায় নেই। মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শোনেন সবাই। এটা বলা যায় তার প্রতি আল্লাহ তায়ালার বিশেষ দান। হয়তো এ গুণেই অত্যন্ত তরুণ বয়সেই বড় জায়গায় জায়গা করে নেন তিনি। ১৪৭, ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের তিনবারের এমপি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের গর্বিত পিতা সাবেক পাঁচ বারের এমপি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের কিংবদন্তি নেতা মরহুম এম শামসুল হকের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি। তিনি তার স্নেহধন্য অনুসারী ছিলেন। উনার সাথে ওই সম্পর্ককে কেন্দ্র করেই তার গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে বর্তমান এমপির সাথে। এমপি শরীফ আহমেদ দলীয় থেকে নিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে থাকেন তাকে। তাকে দিয়ে তিনি ফুলপুর উন্নয়নের ক্ষেত্রে তার অনেক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করিয়ে থাকেন।
এজন্য অনেকে বলে থাকেন শরীফ আহমেদ এমপি থাকলেও ফুলপুর দেখবাল করেন হাবিব এবং এমপির নির্দেশেই তিনি তা করে থাকেন। এমপি শরীফ আহমেদের আমলে ফুলপুরে যত উন্নয়ন হয়েছে বলতে গেলে প্রায় সবই হয়েছে এই হাবিবের হাত ধরে। নিজ এলাকা সিংহেশ্বরসহ ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন পুরা উপজেলাজুড়ে। তিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে এমপির সাথে থাকা সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে ফুলপুরে আরও ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করতে পারবেন বলে সাধারণ মানুষের ধারণা।
গত উপজেলা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও তেমন সাড়া পাননি। তবে এবার তার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে বলে অনেকে ধারণা করছেন। তারপরও রাজনৈতিক চাল বলে কথা। কখন কি হয় তা বলা যায় না। যে কারণে হাবিব বহু আগে থেকেই পরিকল্পিতভাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। আগেভাগেই তিনি কিন্তু আদাজল খেয়ে গ্রামে গঞ্জে কাজ করছেন বলে মনে হচ্ছে। রাতদিন বহু পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এই নেতা।
শুক্রবার (১ মার্চ) তাকে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে। তিনি ৬নং পয়ারী ইউনিয়নের ইমাদপুর মোড়ে ও ৮নং রূপসী ইউনিয়নের ঘোমগাও চৌরাস্তা মোড়সহ বিভিন্ন মোড়ে ও বাড়ির উঠানে নির্বাচনী উঠোন বৈঠক করেছেন। এসময় ফুলপুরের আপামর জনতা এবার তাকে নির্বাচিত করবেন বলে আশ্বাস দেন। এক ফেইসবুক স্ট্যাটাসে তিনি তার বক্তৃতা মঞ্চে উপস্থিত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। শুধু তাই নয়, সকলের কাছে তিনি দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করেন। ভোটাররা তাকে অবশ্যই বিবেচনায় রাখবেন বলে তিনি আশাবাদী।