মো. আব্দুল মান্নান
ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী ক্বওমী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া আরাবিয়া আশরাফুল উলূম বালিয়ার মুহতামিম পীরে কামিল শায়খুল হাদীস, হেফাজতে ইসলাম কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমীর ইত্তেফাকুল উলামা ফুলপুর শাখার সভাপতি, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ-এর মজলিসে শূরা ও মজলিসে আমেলার সদস্য মাওলানা ওয়াইজ উদ্দিন দামাত বারাকাতুহুমের মুহতামিম পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আবারও ৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বালিয়া মাদরাসায় মজলিসে আমেলার মিটিংয়ে তাকে আরও পাঁচ বছরের জন্য মুহতামিম করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এ সংবাদে বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে মাওলানা ওয়াইজ উদ্দিন দামাত বারাকাতুহুমকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।
জানা যায়, এলাকায় মাওলানা ওয়াইজ উদ্দিন বিরোধী একটি গ্রুপ আছে। তারা এ সংবাদে খুশি হতে পারেননি। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে তার কঠোর সমালোচনা করে পোস্ট দিয়েছেন এবং বিশিষ্ট আলেমে দীন মাওলানা ওয়াইজ উদ্দিনসহ মাদরাসা কমিটিকে কটাক্ষ ও হেয় করে কথাবার্তা বলছেন।
সম্প্রতি ‘শামীমা পাঠান’ নামে একটি ফেইসবুক আইডি থেকে মরহুম পীর আল্লামা গিয়াছ উদ্দিন আহমদ পাঠান রহমাতুল্লাহি আলাইহির কন্যা শামীমা পাঠান ১৪৭, ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের তিনবারের নির্বাচিত এমপি শরীফ আহমেদ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউল করিম রাসেল ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটি পোস্ট দিয়েছেন। এতে সাধারণ মহলে আলোচনা শোনা যাচ্ছে যে, মাওলানা ওয়াইজ উদ্দিন সাহেবের বিরুদ্ধে যেভাবে বিষোদগার চলছে শেষ পর্যন্ত মাদরাসার দায়িত্ব হয়তো এমপি সাহেবের নিকট বা আওয়ামী লীগের কারো নিকট চলে যেতে পারে।
কিন্তু দেশের ঐতিহ্যবাহী ও সনামধন্য এ ক্বওমী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে কোন মাতামাতি করছেন না। তারা অত্যন্ত ধৈর্য্যসহকারে এগিয়ে যাচ্ছেন। তারা বলেন, এ ধরনের সমালোচনাকারী সর্বযুগেই ছিল। এখনও আছে। ওদের কাজই হলো মানুষের সমালোচনা করা।
এতে কর্ণপাত করা যাবে না বরং ধৈর্য্য ও সবুরের সাথে মাদরাসার উন্নয়ন কাজকে এগিয়ে নিতে হবে।