দিলাওয়ার ফয়জী
১. ‘তাবলিগের দুই গ্রুপ’
এটা ভুল কথা। সহীহ তাবলীগের কোন গ্রুপ নেই। ভিন্ন গ্রুপের নামে যারা আত্মপ্রকাশ করেছে তারা ভ্রান্ত।
২. ‘ভাইয়ে ভাইয়ে মারামারি’
এটাও গলদ কথা বরং বলতে হবে হক বাতিলের দ্বন্দ্ব।
৩. ‘আল্লাহ দুই গ্রুপের মাঝে মিল করে দিন’ এটা সঠিক দুআ নয় বরং বলতে হবে আল্লাহ হক বাতিলের পার্থক্য করে দিন এবং হককে বিজয়ী করুন।
৪. ‘আমরা কোন দলে নেই’
এটাও প্রতারণামূলক কথা। বলতে হবে আমরা হকের পক্ষে আছি, থাকবো।
৫. ‘আমাদের সাথেও আলেম আছে’
এটা তো চরম বেআদবীমূলক কথা।
আলেমরা তোমাদের সাথে থাকবে
কেন? তোমরা আলেমদের অনুসরণ করবে। যে সকল দরবারী আলেম ভ্রান্ত সাদিয়ানীদের সাথে আছে বা সমর্থন করে অথবা মৌন সমর্থন দেয় তারা পকেটস্থ আলেম, বিক্রি হওয়া আলেম!
৬. ‘মেহনতটা নষ্ট হয়ে গেল’
মেহনত নষ্ট হয়নি বরং মেহনতের মধ্যে গোমরাহী ঢুকে কলঙ্কিত হয়েছে। তাই মেহনতকে পবিত্র করার কাজ চলছে।
৭. ‘আলেমরা এখানে নাক গলায় কেন তারা তো তাবলীগের সাথী না’
এটা মূর্খতাপূর্ণ কথা। দ্বীনের সকল
বিষয়ের জিম্মাদার উলামায়ে কেরাম।
তাবলীগ ব্যক্তি বা দলীয় মেহনত নয়।
তাবলীগ তো সকল মুসলমানের
জিম্মাদারী। আর এই পদ্ধতি ছাড়া দ্বীন প্রচার করলে তাবলীগ হবে না?
৮. ‘আওয়াম ছাড়া উলামারা চলতে
পারবে না’ এটা উল্টা কথা বরং বলেন, উলামা ছাড়া আওয়ামরা দ্বীনের উপর চলতে পারবে না।
৯. ‘চিল্লা বা সাল না লাগালে ঈমান ও
ইলম পাকা হয় না’ বরং ইলম না থাকলে চিল্লা সাল ঈমান কিছুই পাকা হয় না।
১০. ‘আলেমরা মাওলানা সাদের ব্যাপারে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে’ নাউজুবিল্লাহ! যেই দেশে আলেমরা দ্বীন সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দিবে সেদেশে দ্বীনের সঠিক ব্যাখ্যা কারা
দিবে? স্যার? ডাক্তার? ব্যবসায়ী? তারাতো নিজেরাই দ্বীন জানে না। এরা আবার কীসের দ্বীনের ব্যাখ্যা দিবে?
* মুমতাহিন আফসান -এর টাইমলাইন থেকে
সংগৃহীত