আজ
|| ২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৫ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ৯ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
মসজিদ মাদরাসায় গিয়ে জেনারেল শিক্ষিতরা কি বয়ান দিবেন, বলেন তো?
প্রকাশের তারিখঃ ১৭ মার্চ, ২০২৬
মোঃ আব্দুল মান্নান :
মসজিদ মাদরাসায় বা ইসলামী সভায় গিয়ে জেনারেল শিক্ষিতরা ইসলামিক কোন সাবজেক্টের উপর বয়ান দিবেন না। দিলে আপনার ক্ষতি হবে। দুর্ণাম হবে। হুজুরদের বসিয়ে রেখে জেনারেল শিক্ষিতরা বয়ান করলে জেনারেল শিক্ষিতরাই তা শুনতে চান না। ওঠে চলে যেতে চান। সভা ভেঙে যায়। এছাড়া হঠাৎ একটা শব্দের উচ্চারণ ভুল হয়ে গেলে এটা নিয়ে মানুষ আপনাকে ট্রল করবে। আপনাকে লজ্জা দিবে। শুধু শুধু কেন যাবেন ওই বিষয়ে কথা বলতে, যে বিষয়ে আপনার পরিষ্কার কোন জ্ঞান নেই। আপনি বরং এমন কথা বলবেন যেগুলো বললে সবাই খুশি হবেন। আপনার জন্য দোয়া করবেন।
সম্প্রতি জেনারেল শিক্ষিত শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের এক বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে। তিনি লাইলাতুল কদরকে বলতেছেন লাইলাতুল কাদের এবং লাইলাতুলকদর বিষয়ে ভিত্তিহীন ও ভুল তথ্য প্রচার করেছেন। এ বিষয়ে উনার বয়ান দেওয়া ঠিক হয়নি। জেনারেল শিক্ষিতরা বয়ান জানলেও দাঁড়ি টুপি বা ইসলামিক আমলের চর্চা নিজের মধ্যে না থাকায় কোন প্রকার বয়ানে যাবেন না। দাঁড়ি টুপি থাকলেও না। কেননা, এটা আপনাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। ওই সাবজেক্টটা উলামায়ে কেরামের।
তাহলে আপনি মসজিদ মাদরাসায় বা সভায় গিয়ে কি করবেন? প্রথমতঃ দোয়া চাইবেন। বলবেন যে, আপনাদের দোয়া নিতে এসেছি। দ্বিতীয়তঃ কি করলে উলামায়ে কেরামের জন্য উপকার হবে সেসব বিষয়ে কথা বলবেন। বলবেন যে, আপনাদের খেদমত করতে চাই। কি করতে হবে আমাকে দয়া করে জানাবেন। যে এলাকায় যাবেন সেখানে যাওয়ার পথে কোন সমস্যা থাকলে রাস্তা বা ব্রিজ কালভার্ট ভাঙা থাকলে সেগুলো মেরামত করে দেওয়ার কথা বলবেন। যে মসজিদ বা মাদরাসায় গেলেন তাদের কোন সমস্যা আছে কি না জানতে চাইবেন। জেনে যতটুকু পারেন সমাধান করে দেওয়ার জন্য আশ্বস্ত করবেন এমনকি সাথে সাথে বা পরে সমাধান করে দিবেন। এগুলোই আপনাদের কাজ বলে আমি মনে করি। তাহলে যে এলাকায় যাবেন ওই এলাকায় আপনার ভোট বাড়বে। এছাড়া মসজিদ মাদরাসার সমস্যাগুলো সমাধান করে দেওয়ার কারণে আল্লাহ তায়ালা খুশি হবেন। আল্লাহকে খুশি করতে পারলে আর কিছু লাগে না। উভয় জাহানে সফল হতে পারবেন।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলাদেশ নিউজ. All rights reserved.