• মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ময়মনসিংহে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে বিভাগীয় ইমাম সম্মেলন জাতীয় ইমাম সমিতি ফুলপুর উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ ফুলপুরে ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে পুরস্কার পেলেন ১০ মুসুল্লী ফুলপুরের মাহিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়ায় বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ফুলপুরে দাদী ও মা’সহ গুরুতর আহত শিশুকন্যা ইফামনি, সিএনজি চালক আটক ময়মনসিংহের ৭ উপজেলার জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন অগ্রগতি বিষয়ে ফুলপুরে পর্যালোচনা সভা এই সীজনেই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে– হাফেজ মাওলানা মুহিউদ্দিন আবারও বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় ফুলপুরের কৃতি সন্তান মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান সব ছাড়বো কিন্তু আল্লাহর দীনের ঝান্ডাকে ভূলুণ্ঠিত হতে দেব না— আল্লামা মামুনুল হক ফুলপুরে সাংবাদিক নাজিম উদ্দিনের পিতার জানাজা সম্পন্ন

কথা রেখেছেন হালুয়াঘাটের পিআইও আশীষ কর্মকার, কান্দাপাড়া সড়ক সলিং করা হচ্ছে

Reporter Name / ১১৯ Time View
Update : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

মোঃ আব্দুল মান্নান :
কথা রেখেছেন ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আশীষ কর্মকার। তিনি যখন ফুলপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ছিলেন তখন থেকে উনার সাথে পরিচয়। বিভিন্ন কাজে উনার নিকট যাওয়া হতো। সাংবাদিক হিসেবে ভাঙা রাস্তা, ব্রিজ, কালভার্ট মেরামতের জন্য বিভিন্ন নিউজে উনার বক্তব্য নিতে হতো। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোন কোন নিউজ দেখে তিনি নিজে থেকেই ফোন দিয়ে বলতেন, ‘আব্দুল মান্নান সাহেব, এটা কোথায়? পরিদর্শনে গেলে কোন রাস্তা দিয়ে যেতে হবে? আমাদের সাথে একটু সময় দিতে পারবেন? আমরা ব্রিজটি পরিদর্শনে যাচ্ছি।’ এভাবে নিউজ ও উনার দায়িত্বশীল ভূমিকাকে কেন্দ্র করেই পিআইও আশীষ কর্মকারের সাথে গড়ে ওঠে আন্তরিকতা বা এক ধরনের সখ্যতা। প্রায়ই অনেক আন্তরিক পরিবেশে আলাপ হতো উনার সাথে। একদিন ফুলপুর সিংহেশ্বর ইউনিয়নের পলাশকান্দা ভাঙা ব্রিজ পরিদর্শনে যাওয়ার সময় উনার গাড়ি দিয়ে আমাকে নিয়ে গেছিলেন।


মোটরসাইকেলে বসে বিভিন্ন আলাপের এক পর্যায়ে তিনি আমার ইউনিয়ন জানতে চাইলেন। বললেন, ‘আপনার ইউনিয়ন কোনটা?’ বললাম, আমার বাড়ি তো এখানে না, হালুয়াঘাটে। বললেন, ‘তাই নাকি? আমার তো হালুয়াঘাটেই বদলি হয়েছে। এখানে আছি আর কয়েকদিন। আপনার কোন রাস্তা থাকলে জানায়েন করে দিবনে।’
এসময় আমার ছোটবেলার বন্ধু বারেকের কথা মনে পড়লো। ওদের বাড়ির রাস্তা ছিল খুব খারাপ। বারেকের সাথে ফোনে কথা বলে জানলাম, তাদের বাড়ির রাস্তা এখনো আগের মতোই। পরে পিআইও আশীষ কর্মকারকে জানালাম। তিনি রাস্তাটি পরিদর্শনে যেতে রাজি হলেন। পরে ৪ আগস্ট ২০২৫ সকালে উনাকে নিয়ে গেলাম। সেদিন হালকা বৃষ্টি পড়ছিল। তবু তিনি কথা রেখেছেন। গিয়েছেন। অফিস থেকে বার বার ফোন আসছিল। সবকিছু উপেক্ষা করে তিনি আমাদের ৮নং নড়াইল ইউনিয়নের ইটাখোলা টু আলিশাহ বাজার পাকা সড়কে মরহুম ইমাম হোসেন মাস্টার স্যারের বাড়ির মোড় থেকে উত্তর দিকে কান্দাপাড়ার কাঁচা সড়কটি পরিদর্শন করলেন।

এসময় অনেক লোক জমায়েত হয়েছিল সেখানে। আমার সাথে সাথে উনারাও সবাই রাস্তাটি করে দেওয়ার জন্য পিআইও সাহেবের নিকট আবেদন জানিয়েছিলেন। পরে সবার সামনে তিনি বলছিলেন, ‘আগামী কয়েক মাস পর যখন সময় হবে রাস্তাটি আমি করে দিব।’ কিছুদিন পর ৮নং নড়াইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মানিক যখন পিআইও অফিসে গেলেন তখন তিনি আমার কথা বললেন যে, এ রাস্তাটা তো আব্দুল মান্নান সাহেব করাতে আমাকে নিয়ে ভিজিট করিয়েছেন। পরে পিআইও অফিস থেকে চেয়ারম্যান আমাকে ফোন দিয়ে তিনি তার পক্ষ থেকে এ রাস্তাটি সলিং করাবেন বলে জানালেন। আমি বললাম, ‘করান। অসুবিধা নেই। রাস্তা হলেই হলো।’ আরও কিছুদিন পর বারেক আমাকে ফোন দিয়ে রাস্তার খবর নিতে বললে আমি পিআইও সাহেবকে ফোন দেই। পরে তিনি আমাকে বলছিলেন, ‘আব্দুল মান্নান ভাই, আমি জায়গাটি ভিজিট করেছি এবং আপনাকে কথা দিয়েছি। কথা অবশ্যই রাখবো। আপনি টেনশান করবেন না।’ সত্য সত্যই তিনি তার কথা রেখেছেন। ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ইমাম হোসেন মাস্টার স্যারের ছেলে সিরাজুল ভাইয়ের বাড়ি থেকে কান্দাপাড়ার মুর্শেদের বাড়ি পর্যন্ত ১৩২০ ফুট লম্বা ও ৮ ফুট প্রস্থ ইটের সলিং করা শুরু হয়েছে। আর ৩/৪ দিন লাগবে শেষ হতে। এ রাস্তাটি কমপ্লিট হলে কান্দাপাড়াবাসীর যাতায়াত দুর্ভোগ অনেকাংশেই কমে যাবে। পরে উত্তর দিকে আরও কিছু জায়গা থাকবে। আশা করি ওটাও আমাদের এই পিআইও সাহেবই করে দিবেন, ইনশাআল্লাহ। উনার জন্য দোয়া রইলো। আল্লাহ তায়ালা উনাকে পদোন্নতিসহ শারীরিক মানসিক সব ধরনের উন্নতি ও মঙ্গল দান করুক।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা