মো. আব্দুল মান্নান
শীত উপলক্ষে বসুন্ধরার উপহার কম্বল দেশজুড়ে বিতরণ করা হচ্ছে। প্রতি বছর বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে গিয়ে কম্বল বিতরণ করেন কালের কণ্ঠের সিনিয়র সহসম্পাদক ও বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান।
তিনি সব জায়গায় না পৌঁছতে পারলেও শুভসংঘের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে কম্বল ঠিকই পৌঁছে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষের দোর গোড়ায়।
জাকারিয়া জামান একবার ফুলপুরে এসেছিলেন। অতি অল্প সময় তার সাথে কথা হয়েছিল। তার সাথে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা হয়েছিল। যতটুকু অনুভব করতে পেরেছি তিনি খুবই মিশুক একজন মানুষ। শুধু সাংবাদিকতা নয় বরং সাংবাদিকতার পাশাপাশি তার মধ্যে রয়েছে বিশাল এক মানবিকতা।
শুধু কম্বল বিতরণ করেই তিনি চলে আসেন না বরং যাকে কম্বল দিচ্ছেন তার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ খবরও তিনি নেন। হত দরিদ্র মানুষের কাছের মানুষ হয়ে একান্ত সাক্ষাৎকার নেন তিনি। এতে বেরিয়ে আসে কার কলিজার ভেতরে কি কষ্ট লুকিয়ে আছে।
কষ্টগুলো আবিষ্কার করে তা নির্মূলের জন্য নেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। দেখা যায়, এত সুন্দর ব্যবস্থা তিনি নিতে পারেন যার ফলে মুহূর্তেই কষ্ট দূরীভূত হয়ে যায় অনেকের। হাসি ফোটে মুখে। যাদের মাসের পর মাসও জোটে না একবেলা ভাল খাবার , রোগ শোক ও শিক্ষা দীক্ষাসহ যারা বিভিন্ন কষ্টে আছেন, যাদের মাথায় থাকে সবসময় ঋণচিন্তা, মন থাকে খারাপ, মানসিক অস্থিরতা যাদের নিত্য দিনের সঙ্গী, সে রকম অভাবী মানুষের মুখে মুহূর্তেই হাসি ফোটাতে পারেন জাকারিয়া জামান। তিনি যেন এক যাদুকর।
তবে এর পেছনে যে যাদুকরী শক্তি কাজ করে তার নাম বসুন্ধরা গ্রুপ। দুঃখ ভারাক্রান্ত ভগ্ন হৃদয়ের মানুষগুলোকে একটু আদর করা, তাদের পাশে সময়ের দাবি অনুযায়ী কখনো খাবার, কখনো বস্ত্র, কখনো ঘর, কখনো বা শিক্ষা সামগ্রী নিয়ে দাঁড়ানো বড় মহানুভবতা ও মায়াবী কাজ। এসব কাজ বা সেবা আঞ্জাম দিতে তাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা দিচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ। বসুন্ধরার সহযোগিতায় জাকারিয়া জামান তার মেধাকে কাজে লাগাতে পারছেন। কাজে লাগিয়ে উপকার বিলাচ্ছেন গরিবদের মাঝে, দুয়ারে দুয়ারে। আল্লাহ তায়ালা এ মানুষটি আজীবন এভাবে নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করার তাওফীক দান করুক। আল্লাহ তাকে কবুল করুক।