মো. আব্দুল মান্নান :
পাগড়ি পেল ময়মনসিংহের ফুলপুর পৌরসভার সাহাপুর বাজার সংলগ্ন খান মেমোরিয়াল এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসার ক্ষুদে ৫ হাফেজ। সোমবার (১০ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে তাদেরকে পাগড়ি পরানো হয়। মাথায় পাগড়ি পরিয়ে দেন শায়খে বালিয়ার খলিফা মুফতী আজীমুদ্দীন শাহ জামালী দামাত বারাকাতুহুম।

এসময় ফুলপুর বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদের ইমাম ও খতীব হাফেজ মাওলানা মাইন উদ্দিন, ছনকান্দা বাজার জামে মসজিদের সাবেক ইমাম ও খতীব হাফেজ মাওলানা মহিউদ্দিন, কাজিয়াকান্দা কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জয়নুল আবেদীন, কাতুলী এমদাদীয়া ফাযিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা জালাল উদ্দিন, জামিয়াতুল হুমাইরা লিল বানাতের মুহতামিম হাফেজ মাওলানা ইয়াহইয়া, জামিয়া মাদানিয়া দারুল উলূম গোদারিয়ার মুহতামিম মাওলানা আওলাদ হুসাইন, মাওলানা কেফায়েতুল্লাহ, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা ইখলাস উদ্দিন, ডা. এ কে এম শামীম খান, উনার আব্বা, মাওলানা মো. আব্দুল মান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পাগড়ি পরানোর সময় সঞ্চালনায় ছিলেন খান মেমোরিয়াল এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মাহমুদুর রহমান মানিক। তিনি ফারেগীন শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। তারা হলেন- হালুয়াঘাট উপজেলার বিলডোরা ইউনিয়নের সালুয়াকান্দা গ্রামের মো. শাহজাহানের পুত্র হাফেজ মোঃ কাউসার আহমাদ, ধোবাউড়া উপজেলার ঘোষগাঁও ইউনিয়নের গলইভাঙ্গা গ্রামের মাওলানা শহিদুল ইসলামের পুত্র হাফেজ মোঃ জিয়াউল ইসলাম জিহাদ, হালুয়াঘাট উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের রুস্তম আলীর পুত্র হাফেজ মোঃ ঈদুল আহমাদ রিফাত, ধোবাউড়া উপজেলার গামারিতলা ইউনিয়নের কৃষ্টপুর গ্রামের রমজান আলীর পুত্র হাফেজ মোঃ নুরুল আমিন ও ফুলপুর উপজেলার পয়ারী ইউনিয়নের মনকান্দা গ্রামের জুয়েল মিয়ার পুত্র হাফেজ মোঃ মুকসিদুল ইসলাম। পাগড়ি পরানোর পর তাদের কণ্ঠে তেলাওয়াত শোনানো হয় ও দোয়া মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দিনের সভায় বাদ মাগরিব বয়ান করবেন জামিয়া তা’লিমিয়া, আদর্শ নগর, ঢাকা-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বিশ্ববরেণ্য মুফাসসিরে কুরআন মাওলানা হাফীজুর রহমান সিদ্দিক, কুয়াকাটা হুজুর। এছাড়া জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা গাজী আল মাহমুদ ও গাজীপুরের রুদ্রপুর হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মুফতি রমজান আলী রাশেদী এতে বয়ান করবেন বলে জানা গেছে।