মো. আব্দুল মান্নান :
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের চরনিয়ামত গ্রামে নিজ বাড়িতে এসে মা-বাবা, হতদরিদ্র মানুষ ও কচিকাঁচা শিশুদের সাথে সময় কাটালেন বিশ্বসেরা গবেষক মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ বিভাগের হেড বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান।
আজ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকালে তিনি গ্রামে পৌঁছেন। জন্মদাতা মা-বাবার সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের খেদমতে সময় দেন বরেণ্য এ বিজ্ঞানী। তাদের পাশে বসেন ও খোঁজ খবর নেন। এ বৃদ্ধ বয়সে গর্বিত সন্তান ড. সাইদুর রহমানকে কাছে পেয়ে উনার মা-বাবাও কী যে খুশি হয়েছেন তা লিখে বুঝানো সম্ভব নয়।

বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব ড. সাইদুর রহমান গ্রামে এসে গ্রামের সরল সোজা মানুষের সাথে এমনভাবে মিশেন তিনি যে একজন বিশ্বসেরা গবেষক বিজ্ঞানী ডক্টর এমন কিছু আলামত তাকে দেখে আন্দাজই করা যায় না। একদম সিম্পল জীবন যাপন করেন এ বিজ্ঞানী।
গ্রামে এসে বরাবরের ন্যায় এবারও তিনি এতিম অনাথ, বিধবা, হত দরিদ্র নারী পুরুষ ও শিশুদের সাথে স্তরে স্তরে দেখা সাক্ষাৎ করেন। হাদিয়া দেন। খাবার খাওয়ান। মতবিনিময় করেন। তাদের হালাত জানার ও কারো কোনো কষ্ট থাকলে তা সাধ্য অনুযায়ী দূর করার চেষ্টা করেন।

আজ তিনি গ্রামে গিয়ে গ্রামের মানুষ এবং শিশুদের সাথে দেখা করেছেন। তাদের চ্যালেঞ্জ, অসুবিধা ও কষ্ট সম্পর্কে জানতে তাদের সাথে কিছু সময় কাটিয়েছেন। আমাদের দেখা মতে, উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, শিল্পপতি, কোটিপতি বহু মানুষ রয়েছেন যারা বছরের পর বছর গ্রামে যান না। গেলেও সাধারণ মানুষকে হাদিয়া তোহফা দেওয়া বা খাবার খাওয়ানো তো দূরের কথা সময়ই দেন না। মন খুলে কথা বলেন না। কিন্তু চরনিয়ামত গ্রামের কৃতি সন্তান ড. সাইদুর রহমান সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম একজন মানুষ।
তিনি অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে সবার সাথে মিশেন, কথা বলেন। বুদ্ধি পরামর্শ দেন। মোটিভেট করেন। সবাইকে তার জীবন সম্বন্ধে সচেতন করেন। উন্নত জীবন পেতে বুদ্ধি পরামর্শ দেওয়াসহ নানাভাবে সহায়তা করে থাকেন।
গ্রাম থেকে ওঠে গিয়ে যারা অনেক উচ্চ আসনে আছেন অথচ গ্রামের খোঁজ খবর রাখেন না তাদের জন্য ড. সাইদুর রহমান হতে পারেন অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব ও দৃষ্টান্ত।