• বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফুলপুরে ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে পুরস্কার পেলেন ১০ মুসুল্লী ফুলপুরের মাহিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়ায় বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ফুলপুরে দাদী ও মা’সহ গুরুতর আহত শিশুকন্যা ইফামনি, সিএনজি চালক আটক ময়মনসিংহের ৭ উপজেলার জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন অগ্রগতি বিষয়ে ফুলপুরে পর্যালোচনা সভা এই সীজনেই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে– হাফেজ মাওলানা মুহিউদ্দিন আবারও বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় ফুলপুরের কৃতি সন্তান মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান সব ছাড়বো কিন্তু আল্লাহর দীনের ঝান্ডাকে ভূলুণ্ঠিত হতে দেব না— আল্লামা মামুনুল হক ফুলপুরে সাংবাদিক নাজিম উদ্দিনের পিতার জানাজা সম্পন্ন ফুলপুরে সাংবাদিক নাজিম উদ্দিনের বাবা আর নেই জামিয়াতুল হুমাইরা লিল বানাত, ফুলপুর-এর ১৭তম খতমে বুখারী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ৬ জানুয়ারি

ফুলপুর পৌরসভা কার্যালয়ের সামনের রাস্তাটি ভেঙে খান খান, উন্নয়ন কাজে প্রাণ নেই, ভোগান্তি

Reporter Name / ১২৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ জুন, ২০২৫

মো. আব্দুল মান্নান :

ময়মনসিংহের ফুলপুর পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যে রাস্তাটি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, আদর্শ মাদরাসা ও কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হয়ে গ্রীণ রোড ও ছনকান্দা বাজার রোডে গিয়ে মিলিত হয়েছে এর অবস্থা খুবই খারাপ। জায়গায় জায়গায় বহু ভাঙন দেখা দিয়েছে। ড্রেনের সাইডে রাস্তাটি দেবে গেছে। পিচ, ইট ও সুরকিগুলো পর্যন্ত উঠে সরে গেছে।

ড্রেন ভেঙে গেছে। একপাশ ভেঙে অন্য পাশের সাথে কাত হয়ে মিশে রয়েছে। এতে বন্ধ হয়ে গেছে ড্রেন। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই উপচে ওঠে পানি ও ময়লা। সয়লাব হয় এলাকা। এ অবস্থা এক মাস, দুই মাস বা এক বছর ধরে নয় বরং তার চেয়েও বেশি সময় ধরে এ নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অল্প বৃষ্টি হলেই ওই রোডের বাসিন্দাদের বাসায় পানি উঠে। বাচ্চা ও বৃদ্ধদের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পঁচা পানি মাড়িয়ে স্কুলে যেতে পারে না শিক্ষার্থীরা।

ড্রেনগুলোর এমন অবস্থা যে, ওই দিকে তাকানো যায় না। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পৌরবাসী আশা করেছিল, এখন খুব দ্রুত ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হবে। আগে যে বরাদ্দ আসলে ভাগাভাগির কথা শোনা যেত, বরাদ্দের সিকি ভাগ টাকারও কাজ হতো না। এখন তা আর হবে না। বরাদ্দের পুরো টাকাই কাজে লাগবে। প্রচুর উন্নয়ন হবে। কিন্তু কই? আমাদের ধারণার কিঞ্চিৎও চোখে পড়ছে না। আশানুরূপ সেই উন্নয়ন কিন্তু চোখে পড়ছে না পৌরবাসীর।

ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে পৌর প্রশাসক মেহেদী হাসান ফারুক বেশ কিছু কাজ হাতে নিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনগুলো পরিষ্কার ও সংস্কার না করায় ময়লা আবর্জনায় আটকে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ড্রেনগুলো। পৌর প্রশাসক সেগুলো পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় আশান্বিত হয়েছিল পৌরবাসী। ড্রেনের কিছু ময়লা উঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি কিন্তু এ কাজটিও মুখথুবড়ে মাঝপথে পড়ে আছে। দ্রুত উহা সম্পন্ন না করায় পৌরবাসীর কষ্ট যেন আরও বেড়েছে।

গোদারিয়ায়, চরপাড়ায় ও উপজেলা পরিষদ ভবন এলাকায় কিছু কাজ শুরু হয়েছে। জানি না কোন প্রকল্পের মাধ্যমে এগুলো হচ্ছে। তবে যতটুকু হয়েছে উহা যথেষ্ট নয়। শিববাড়ী রোড, গ্রীণ রোড, ছনকান্দা, আমুয়াকান্দা, দিউ ও কাজিয়াকান্দাসহ বহু এলাকায় এখনো জুলাই আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর নতুন উন্নয়নের ছোঁয়া তো লাগেইনি বরং পুরান উন্নয়নগুলো ধরে রাখার জন্য কাঙ্ক্ষিত সংস্কার কার্যক্রমও হচ্ছে না।

বিশেষ করে ফুলপুর পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে দিয়ে বয়ে যাওয়া রাস্তাটিই যেন বেশি অবহেলিত। যাকে বলে, ‘দুয়ারে কাদা।’ যদিও সারা ঘরও লেপার মত কোন উন্নয়ন চোখে পড়ছে না।

কিন্তু কেন এ দূরাবস্থা? বরাদ্দের অভাব নাকি লোকবলের অভাব? জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, এগুলো অনেক আগের সমস্যা। একটু একটু করে আমরা নিরসনের চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে চারটি রাস্তার কাজ ধরা হয়েছে। দুটি সম্পন্ন হয়ে গেছে আর দুটি চলমান। তিনি আরও বলেন, এ রাস্তাটি করার জন্য আমরা বরাদ্দ চেয়ে আবেদন পাঠিয়েছি। পেলেই শুরু করবো। আপনি লেখতেছেন, লেখেন। পজিটিভলি লেখলে ভাল হয়।

এছাড়া তিনি আরও বলেন, এডিপি থেকে যে বরাদ্দ পাওয়া যায় তা দিয়ে টুকটাক ছোট খাটো কাজগুলো করা যায়; এতবড় রাস্তার কাজ করা যায় না। এর জন্য কোটি টাকার উপরে বাজেট লাগবে। যে আবেদনটি পাঠানো হয়েছে উহা মঞ্জুর হলে আমরা এ কাজটা করতে পারবো, ইনশাআল্লাহ।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা