মো. আব্দুল মান্নান :
পবিত্র ঈদুল আজহায় ছোট খাটো পেরেশানি ছাড়া মোটামুটি ভালোভাবেই ঘরে ফিরছেন চাকরিজীবী গার্মেন্টস কর্মী, ব্যবসায়ী ও বাড়ির বাইরে থাকা নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।
সব গুছগাছ করে আগেভাগে সবাই একই সাথে বের হওয়ায় দেখা দেয় গাড়ি সংকট। ফলে অনেকেই বাড়ি ফিরতে সময় একটু বেশি লাগছে। শেরপুরগামী এক ভদ্রলোক বললেন, বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় গাজীপুর থেকে রওনা করে সকাল ৭টায় তিনি ফুলপুর এসে পৌঁছেছেন।
শেরপুর শ্রীবর্দী এলাকার এক যুবক বললেন সাভার থেকে ফুলপুর পর্যন্ত আসতে তাকে চারবার গাড়ি বদলাতে হয়েছে। আর প্রত্যেক জায়গাতেই নিয়েছে বেশি ভাড়া। শুধু তাই নয়, দাঁড় করিয়ে এনে উনার হাত টান দিয়ে উপরে রডে ধরার জন্য বাধ্য করা হয়। এরই মধ্যে নিখোঁজ হয়ে যায় তার এন্ড্রয়েড মোবাইলটি।
সরেজমিন গিয়ে ও বিশ্বরোডের পাশে বাসা থাকার সুবাদে দেখা যায়, ট্রাক এবং পিক-আপ ভ্যানে করেই বেশির ভাগ মানুষ বাড়ি ফিরছিলেন। নারী পুরুষ একসাথে বসে, পিক-আপ ভ্যান থেকে পা ঝুলিয়ে, শুয়ে এমনকি কেউ কেউ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ফিরছিলেন বাড়িতে। অনেকে ঝুকিপূর্ণভাবে ঘরে ফিরছেন। কোন কোন জায়গায় ভাড়া বেশি চাওয়ায় রিকশা না নিয়ে পায়ে হেঁটেই বাড়ি ফিরছিলেন ঘরমুখো মানুষ।
ফুলপুর গোল চত্বর এলাকায় একজন মহিলা রাস্তা পারাপারের সময় অল্পের জন্যে বেঁচে গেলেন পিক-আপ ভ্যানের চাপা থেকে।
এ ধরনের ছোট খাটো পেরেশানি ছাড়া কোন প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকসহ প্রশাসনের লোকজন যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সদা তৎপর রয়েছেন বলে জানা গেছে।