• বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফুলপুরে ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে পুরস্কার পেলেন ১০ মুসুল্লী ফুলপুরের মাহিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়ায় বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ফুলপুরে দাদী ও মা’সহ গুরুতর আহত শিশুকন্যা ইফামনি, সিএনজি চালক আটক ময়মনসিংহের ৭ উপজেলার জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন অগ্রগতি বিষয়ে ফুলপুরে পর্যালোচনা সভা এই সীজনেই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে– হাফেজ মাওলানা মুহিউদ্দিন আবারও বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় ফুলপুরের কৃতি সন্তান মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান সব ছাড়বো কিন্তু আল্লাহর দীনের ঝান্ডাকে ভূলুণ্ঠিত হতে দেব না— আল্লামা মামুনুল হক ফুলপুরে সাংবাদিক নাজিম উদ্দিনের পিতার জানাজা সম্পন্ন ফুলপুরে সাংবাদিক নাজিম উদ্দিনের বাবা আর নেই জামিয়াতুল হুমাইরা লিল বানাত, ফুলপুর-এর ১৭তম খতমে বুখারী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ৬ জানুয়ারি

ফুলপুরে নদীভাঙন, যে কোন সময় নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে তালুকদানা স্কুল

Reporter Name / ৮১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫

নাজমুল হাসান (রাজন) :
ময়মনসিংহের ফুলপুরে নদীভাঙনের কবলে পড়ে হুমকিতে পড়েছে তালুকদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। উপজেলার সিংহেশ্বর ইউনিয়নের তালুকদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি মালিঝি নদীর পাড়ে অবস্থিত। একটুখানি বৃষ্টি হলেই ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় ওই এলাকা। বন্ধ হয়ে যায় শিক্ষা কার্যক্রম।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, গত কদিনের বৃষ্টিতে বাড়ছে মালিঝি নদীতে পানির স্রোত ও ভেঙে যাচ্ছে নদীর পাড়। এতে হুমকিতে পড়েছে মালিঝি নদীর পাড়ে অবস্থিত তালুকদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি।

এবার আগেভাগেই যেভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আভাস আসছে এতে অনুমান করা যায় যে, যে কোন সময় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বিদ্যালয়টি। এর ফলে শিক্ষক শিক্ষার্থী সবাই চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন। এমনকি ভয়ে স্কুলে যাওয়া কমিয়ে দিয়েছে বেশ কিছু শিক্ষার্থী। দিন দিন বাড়ছে শিক্ষার্থী অনুপস্থিতি। সচেতন অভিভাবকরা তাদের বাচ্চাদের নিয়মিত  বিদ্যালয়ে পাঠালেও বাড়িতে স্বস্তিবোধ করতে পারছেন না তারা। যে কোন সময় অঘটনের চিন্তায় বিচলিত থাকেন তারা।

শিক্ষার্থীরা জানায়, আগে মাঠ অনেক বড় ছিল। খেলাধুলা করে মজা পাওয়া যেতো। কিন্তু এখন তা পাওয়া যায় না। নদীভাঙনের ফলে এখন তাদের মাঠ ছোট হয়ে গেছে। খেলে আনন্দ পাওয়া যায় না। বার বার বল নদীতে পড়ে যায়। এজন্য জরুরি ভিত্তিতে তারা স্কুলটিসহ বিদ্যালয় আঙিনা রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।

এলাকাবাসী জানান, স্কুল থেকে নদীটি আগে অনেক দূরে ছিল। কিন্তু এখন ভাঙতে ভাঙতে এটা একেবারে ক্লাসরুমের কাছে চলে এসেছে। বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। ভয় লাগে। না জানি কোন সময় নদীগর্ভে ধ্বসে পড়ে বিদ্যালয়টি। নুরুল আলম খান আলম নামে একজন অভিভাবক বলেন, আমাদের বাচ্চারা খুব ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে যায়। যে কোন সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। এই বিদ্যালয়টি ভেঙে গেলে বন্ধ হয়ে যাবে আমাদের বাচ্চাদের লেখাপড়া। কারণ, আশপাশে আর কোন স্কুল নেই।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তালুকদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে আমরা খুব ঝুঁকিতে আছি। নদী ভাঙতে ভাঙতে বিদ্যালয়ের খুব কাছে চলে এসেছে। নদীর পাড়ে বিদ্যালয় এমনিতেই ভয়। এর মধ্যে আবার ভাঙন। বুঝতেই পারছেন আমরা কতটা বিপদে আছি। বিশেষ করে বর্ষাকাল আসলে আমাদের বিপদের আর শেষ থাকে না। বর্ষাকাল আমাদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুলে আসা যেমন কষ্টকর শিক্ষকদেরও একই অবস্থা। বন্যার কবল বা নদীভাঙনের কবল থেকে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যালয়টিকে হেফাজত না করলে ভেঙে পড়বে এই এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থা। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা