• শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ময়মনসিংহ-২ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ : যা বললেন এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ যদি কেউ রোজার মাসেও ধান্ধা করতে চায়, জানাবেন আমরা তা বন্ধ করব — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ সমাজ কিন্তু পরিবর্তন হচ্ছে, আপনারা আপনাদের মেয়ে সন্তানদেরকে পড়াশোনা করাবেন — ফুলপুর ইউএনও ফুলপুরের মানুষ যদি আমাকে ভালোবাসে তাহলে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবো– রিফাত যুবকদের স্বাবলম্বী করতে কারিগরি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুর ক্বাসিমুল উলূম মাদরাসার ছাত্র শরীফুল ইসলাম তানযীম বোর্ডে প্রথম আধা কিলোমিটার রাস্তা পাকা করলে দূরত্ব কমবে দুই কিলোমিটার, বাড়বে অন্যান্য সুবিধাও একবার হেরেছেন বেশি করলে বার বার হারবেন — এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুরে সুজুকি মার্ট -এর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ফুলপুর শাখার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

চাঁদাবাজ মাদক কারবারি ও অযোগ্যদের ছাটাই করা হোক

Reporter Name / ৭৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫

মো. আব্দুল মান্নান :
এই চেহারা ছবির একজন সাংবাদিক নেতা পেটে মাদকসহ গ্রেফতার হয়েছেন শুনে আশ্চর্য লাগতেছে! কতটুকু সত্য জানি না। তবে নিউজটি অসত্য তাও বলতে পারছি না। কেননা, অপরাধীরা এখন এরকম পোশাক চয়েজ করে যে পোশাককে মানুষ সম্মান করে; অপরাধী হিসেবে যে পোশাকের মানুষটিকে কেউ ধারণা বা কল্পনাও না করতে পারে। সেজন্য কৌশল হিসেবে চোর ডাকাত থেকে শুরু করে সুদখোর ঘুষখোর ও বাটপাররাও এখন নবীজীর এ সুন্নাতের অবমাননা করে যাচ্ছে। বাটপারি কাজের সুবিধার্থে তারা এগুলো করে। এর সংখ্যা খুব বেশি নয়। খুব কম। আবার এমনও আছে যে, প্রকৃত আদর্শ ও সৎ মানুষকেও নানা ধরনের মন্দ অপবাদ দিয়ে কেউ কেউ অপমান অপদস্ত করছে। কখনো কখনো এসব সৎ মানুষেরা পরিস্থিতির শিকার হয়ে বিনা অপরাধেও গাল খাচ্ছে, মার খাচ্ছে। জেল জুলুমের শিকার হচ্ছে। উনার ব্যাপারটা কতটুকু কি আমি জানি না। আল্লাহই ভালো জানেন। যদি সত্য হয়ে থাকে তাহলে বলবো এটা তার আসল চেহারা নয়। তিনি হুজুর বা আলেম নন। ফেঁক। আলেমের ভাব ধরে আকাম করে যাচ্ছিলেন হয়তো। এরকম মানুষ ধরা পড়লে এবং স্থানীয়রাও যদি সাক্ষী দেন যে, সে একজন বাটপার বা মাদক কারবারি। তাহলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিৎ। শুনলাম, তিনি একটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক! উনাকে নিয়ে একটি নিউজ হয়েছে কিন্তু তিনি কোন পত্রিকার সাংবাদিক তা ওই নিউজে পেলাম না। আমার মনে হয় তিনি কোন সাংবাদিক না। নামে থাকলেও কামে না। হয়তো অর্থনৈতিক বা যে কোন প্রভাব খাটিয়ে তিনি সাংবাদিকদের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। উনার প্রেসক্লাবে যারা আছেন আমার মনে হয়, উনারা উনার কাছে জিম্মি। চাইলেও উনাকে বাদ দিতে পারতেছেন না বা তাকে বাদ দিয়ে প্রেসক্লাব চালাতে পারবেন না।

এরকম প্রভাবশালী অসাংবাদিক আমাদের ফুলপুরে না থাকলেও বিভিন্ন জায়গায় আছে। সাংবাদিক নামধারী এসব মাদক কারবারিকে বয়কট করুন। আর এদের নামে যদি কোন পত্রিকা থেকে থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট পত্রিকার সম্পাদক মহোদয়ের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলবো, আপনারা এদেরকে জরুরি ভিত্তিতে পত্রিকা থেকে বাদ দেন। এমনকি নতুন কোন সাংবাদিক নেওয়ার সময় পুলিশে, সেনাবাহিনীতে বা সরকারি কোন চাকরিতে যেভাবে সব শর্ত ঠিকঠাক থাকার পরও পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে ঠিক সেভাবে পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে ও স্থানীয় বিশিষ্ট গুণী সাংবাদিকদের সাপোর্ট নিয়ে সৎ যোগ্য ও শুদ্ধ বানানে লেখনী শক্তি সম্পন্নদের নিয়োগ দেন। চাঁদাবাজ বাটপার ও অযোগ্যদের ছাটাই করুন। দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা