মো. আব্দুল মান্নান
বাঁশের দাড়ি এখন বিলুপ্তির পথে। খুব একটা চোখে পড়ে না। মানুষ এখন অনেকটা প্লাস্টিক নির্ভর হয়ে যাচ্ছে। গৌরীপুরের নয়ন মিয়া এ দাড়িগুলো নিয়ে যাচ্ছিলেন। ফুলপুর শেরপুর রোড মোড়ে যাত্রা বিরতির সময় আজ শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ১০টার দিকে তার সাথে দেখা। তিনি জানান, তার এ অটো রিকশায় ৪ আটিতে ২৫টি করে ১০০ দাড়ি রয়েছে।
এসব দাড়ি প্রতি পিস কেনা পড়েছে ১৫০ টাকা। শেরপুর পর্যন্ত পৌঁছাতে ভাড়া পড়বে প্রতি পিস ৩০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি পিস বাঁশের দাড়ি বাবদ খরচ পড়তেছে ১৮০ টাকা। ভুক্তভোগী পর্যন্ত পৌঁছার আগেই এর পিছনে ব্যবসায়ীর গাড়ি ভাড়া ও নানা ধরনের ট্যাক্সসহ প্রায় ২০০ টাকা প্রতি পিস খরচই পড়ে যাবে। অন্ততঃ আড়াইশ টাকার কমে মনে হয় ভুক্তভোগীরা কিনতে পারবেন না। কিন্তু কিচ্ছু করার নেই। বাঁশের দামও বাড়তি। এসব দাড়িতে ধান শুকানো হয়। এছাড়া খাটে তোষকের নিচে ব্যবহার করাসহ নানা কাজে এগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে বেশি করে বাঁশ চাষ করতে হবে।