মো. আব্দুল মান্নান :
৩১ মার্চ ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (৬ এপ্রিল)। আজও ময়মনসিংহের ফুলপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকা যেতে নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।
ফুলপুর থেকে ড্রাইভার বা সুপার ভাইজারদের সাথে কথা বলে ভাড়া নির্ধারণ করে ঢাকায় গেলে সাধারণত ২০০-৩০০ টাকায় যাওয়া যায়। সে জায়গায় এবার সরকারিভাবে ঈদের আগে ৩ দিনের জন্য ও পরে ৩ দিনের জন্য অর্থাৎ পুরা এক সপ্তাহের জন্য জনপ্রতি ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে ৪০০ টাকা করে। এটা জনগণের জন্য কতটুকু সৌজন্যতা বোধ তা বুঝে আসে না। আমরা মনে করি, আমাদের মত সাধারণ যাত্রীদের জন্য এটা একটা জুলুম।
একমাত্র ঈদের দিন বা বড়জোর এর পরের দিন ব্যতীত আমার মতে আর এক ঘন্টার জন্যেও ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া উচিৎ হবে না। ঈদ উপলক্ষে প্রচুর যাত্রী যাতায়াত করছেন। ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে হয় না। সঙ্গে সঙ্গে সীট ফিলআপ হয়ে যাচ্ছে। অল্প সময়ে অনেক ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তাহলে কেন এতদিন পর্যন্ত ভাড়া বাড়িয়ে দিতে হবে?
গাড়িওয়ালারা যদি পেসেঞ্জার না পেতেন, লস হতো তাহলে ভাড়া বাড়িয়ে দিয়ে পুষিয়ে দেওয়ার চিন্তা করা লাগতো। কিন্তু বিষয়টি তো সে রকম নয়। ঈদের দিনের ভাড়াটা বাড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে।
কেননা, ঈদের দিন যেহেতু ড্রাইভারদেরও ঈদ আছে অথচ তা না করে আমাদেরকে উনারা সহযোগিতা করছেন এজন্য ওইদিন তাদেরকে কিছু বাড়িয়ে দেওয়া বা হাদিয়া দেওয়া সমীচীন বলে মনে করি।
কিন্তু সপ্তাহব্যাপী তাদেরকে ঈদ বোনাস দিতে হবে কেন? আমরা কি সপ্তাহব্যাপী ঈদ বোনাস পাই? এটা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। যাক, সরকারি কর্মকর্তারা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যা বুঝেছেন তাই করেছেন। কিন্তু ঈদ চলে গেছে আজ ৬ দিন। তারপরও ভাড়া বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। এভাবে আর কয়দিন নেওয়া হবে? এসব বিষয় মনিটরিংয়ে লোক নেই কেন? এগুলো পরিষ্কার জুলুম। যাত্রী হয়রানি। যাত্রী ভোগান্তি। দায়িত্বশীলদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।