মো. আব্দুল মান্নান
ময়মনসিংহের ফুলপুরে শীত খুব বাড়তি। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সারাদিন সূর্যের দেখা মেলেনি।
কর্মমুখী মানুষকে এ শীত উপেক্ষা করে যেতে হয়েছে নিজ নিজ কাজে। যারা শীতবস্ত্র পরিধান করে কাজে বের হয়েছিলেন তাদের তো তেমন কোন সমস্যা হয়নি। কিন্তু যারা ভেবেছিলেন যে, কতক্ষণ পর সূর্য উঠবে; শীতবস্ত্রের প্রয়োজন নেই। এমনটি ভেবে শীতবস্ত্র ছাড়াই কাজে রওনা করেছিলেন যারা তাদের আজ দিন কেটেছে অনেক কষ্টে।
শীতে জবুথবু বলতে যা বুঝায় তাই হয়েছে তাদের। অনেককে শীতে কাঁপতে দেখা গেছে। কিছু দরিদ্র মানুষ আমাদের সমাজে আছেন যাদের গায়ে দেওয়ার মত তেমন কোন শীতবস্ত্র নেই; তাদের জন্য কিন্তু সরকার প্রতি বছর শীতবস্ত্র বাজেট রাখেন। তাদের জন্য শীতবস্ত্র বরাদ্দ থাকে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সাবেক ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম সাজ্জাদুল হাসান এলাকায় ঘুরে ঘুরে বেশ কিছু আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও হত দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করে গেছেন। এসময় উনার সাথে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত রায় কল্লোল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আশীষ কর্মকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ওইসব শীতবস্ত্র বিতরণ শেষ হয়ে গেছে কি না, জানা নেই। তবে এ মুহূর্তে গরিব পরিবার বা যেসকল লোক গরিব অথচ মানুষের নিকট হাত বাড়ান না; দেখে বুঝে সেরকম লোকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলে ভাল হয়। শীতবস্ত্র হিসেবে শুধু কম্বল না দিয়ে শীতের মোটা গেঞ্জিও দেওয়া যেতে পারে। তানাহলে এ শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে থাকলে লোকজন অসুস্থ হয়ে পড়বে। অসুস্থ হওয়ার আগেই ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।